বাংলাদেশসর্বশেষ নিউজ

টাঙ্গাইলে দ্বিতীয় দফা বন্যায়, দিশেহারা নদী পারের মানুষ

মুক্তার হাসান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে আবারও বাড়ছে নদ-নদীর পানি। দ্বিতীয় দফা বন্যায় দিশেহারা হয়ে পরেছে নদী পারের মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও ধলেশ্বরী নদীর পানি ৬৭ সেন্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

ভূঞাপুর, টাঙ্গাইল সদর, গোপালপুর, কালিহাতী ও নাগরপুর উপজেলার শতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তীব্র ¯্রােতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। রাস্তা ঘাট উপছে গ্রামে গ্রামে ডুকছে পানি। পানিবন্দি এসব এলাকার লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এছাড়াও বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর জমির আউশ ধান, পাট, তিল আর সবজি। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ ভাঙনের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে, ধলেশ্বরী নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭ সেন্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস জানিয়েছে, ভূঞাপুর, কালিহাতী ও সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন এবং ভূঞাপুর পৌরসভার একাংশ ইতোমধ্যে বন্যা কবলিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা যায়, জেলার ছয়টি উপজেলার ১৩৭টি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে। এসব গ্রামের ২১ হাজার ১৭৮টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বন্যাকবলিত গ্রামগুলোর বেশির ভাগই যমুনার চরাঞ্চলে।

Related Articles

Close